শুক্রবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকীতে সিপিএমের স্মরণ কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই স্মরণ কর্মসূচিতে বুদ্ধদেবের শিল্পায়ন দর্শনের কথা কোনভাবেই উঠে এলো না। বদলে উঠে এল বুদ্ধদেবের রাজনৈতিক জীবনের বিতর্কিত অধ্যায় এবং জ্যোতি বসুর মন্ত্রিসভা ছেড়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ।
গত বছর ৮ আগস্ট নিজের বাসভবনে প্রয়াত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ঐদিন সব মিলিয়ে প্রায় শতাধিক মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। ১৯৯৩ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন বুদ্ধদেব। তারপর থেকেই কেমন ভাবে আর সংবাদমাধ্যমের সামনে আসতেন না তিনি।
বুদ্ধদেবের স্মৃতিচারণ করেন তাঁর বন্ধু তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। তিনি এই প্রজন্মের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘দলের দেওয়া দায়িত্ব পালনে বুদ্ধদেব যে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতেন, তা এখনকার নেতাদের অনুকরণ করা উচিত।’’
বুদ্ধদেবের প্রয়াণ দিবসে স্ত্রী বলেন, একাই আছি। ওনাকে সঙ্গে নিয়ে বেঁচে আছি। এইভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে। শুক্রবার বুদ্ধদেবের বাড়িতে স্ত্রী এবং সন্তানদের সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন বিমান এবং সেলিমরা। এই সেলিম সেই ব্যক্তি, যিনি বুদ্ধদেবের ধমকে পাজামা পাঞ্জাবি পড়েছিলেন।